সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি: সাভারের দক্ষিণ নামাগেন্ডা এলাকায় পূর্ব বিরোধের জের ধরে আইয়ুব খান নামে এক হোটেল ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে শাহাদাৎ হোসেনের বিরুদ্ধে। এঘটনায় উভয় পক্ষের লোকজন আহত হওয়ায় সাভার মডেল থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ নামাগেন্ডা এলাকার বাসিন্দা আইয়ুব খান দীর্ঘদিন ধরে 'ভাই ভাই খাবার হোটেল' পরিচালনা করে আসছেন। মঙ্গলবার রাত ৯ টার দিকে তিনি তার হোটেলের সামনে অবস্থান করছিলেন। এ সময় পূর্ব বিরোধের জের ধরে একই এলাকার শাহাদাৎ হোসেন, সাকিব, মকবেলসহ ১০-১২ জন মিলে দেশিয় অস্ত্র নিয়ে আইয়ুব খানের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় লোহার রড ও লাঠি দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আহত করে। একপর্যায়ে হামলাকারীরা তার পরিহিত শার্ট ছিঁড়ে ফেলে এবং শার্টের বুক পকেটে থাকা নগদ ৩৫ হাজার টাকা নিয়ে যায় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আইয়ুব খানকে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

তবে এ ঘটনায় হামলাকারী সাকিব খান বাদী হয়ে পাল্টা অভিযোগ দিয়েছেন সাভার মডেল থানায়। সেখানে বলা হয়, প্রতিবেশী গার্মেন্টস কর্মী রিয়া মনিকে উদ্দেশ্য করে অশ্লীল মন্তব্য করা থেকে ঘটনার সূত্রপাত। এর প্রতিবাদ করায় শাহাদাৎ হোসেনকে মারধর করে গুরুতর আহত করে প্রতিপক্ষের লোকজন। তিনিও সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে চিকিৎসা নিয়েছেন।
আহত নারী রিয়া মনি বলেন, 'আমি একটি বোতল কারখানা চাকরি। সন্ধ্যার দিকে কাজ শেষে বাসায় ফিরছিলাম। এসময় ব্যাংক টাউনের পাগলার মোড় এলাকায় পৌচ্ছালে কয়েক জন যুবক আমাকে ইভটিজিং করে। পরে আমি শাহাদাত ভাইকে ঘটনাটি জানালে শাহাদাত ভাই তাদের ইভটিজিং করতে নিষেধ করে। তারপর আমরা সবাই বাসার দিকে চলে আসি। এসময় চলে আসার পথে আয়ুব খান ও তার ছেলে আমিনসহ কয়েক জন আমাদের উপর হামলা করে। এসময় শাহাদাতের মাথায় ছুরি দিয়ে আঘাত করে এবং আমাকে ও আমার ভাই, স্বামী ও বাবাকে মারধর করে' বলে জানান তিনি।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরমান আলী বলেন, উভয় পক্ষের অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ওয়েব সাইটের কোন সংবাদ অনুমতি ব্যাতিত কপি করা যাবেনা। সর্ব স্বত্ত্ব সংরক্ষিত।
এই ওয়েব সাইটের কোন সংবাদ অনুমতি ব্যাতিত কপি করা যাবেনা। সর্ব স্বত্ত্ব সংরক্ষিত।